কৃষি কাজে বিজ্ঞান রচনা ২০ পয়েন্ট

কৃষি কাজে বিজ্ঞান রচনা ২০ পয়েন্ট

মানবজীবনে কৃষির গুরুত্ব: কৃষি মানুষের অস্তিত্বের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। মানবজীবন ও মানবসমাজে এর গুরুত্ব অপরিসীম। জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে এটি মানুষের আদিমতম জীবিকার উপায়। দেশে দেশে কৃষিই সমাজের মেরুদণ্ড, কৃষিই সমাজের ভিত্তি। স্বভাবতই কৃষির ক্রমোন্নতিতেই সমাজের ও দেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নতি। এই উন্নতিতে অনন্য ও অভাবনীয় ভূমিকা রেখেছে বিজ্ঞান। আজকের বিশ্বে প্রতিটি ক্ষেত্রের মতো কৃষিক্ষেত্রেও বিজ্ঞানই আজ বাড়িয়ে দিয়েছে তার সুদূরপ্রসারী কল্যাণী হাত।

কৃষির আধুনিকায়নে বিজ্ঞান: আঠারো শতকের শেষদিকে এবং উনিশ শতকের গোড়ার দিকে শিল্পবিপ্লবের মাধ্যমে কৃষির আধুনিকায়নের সূচনা ঘটে। এর ফলে কৃষকেরা উন্নত ধরনের যন্ত্রপাতি ও কৃষিপদ্ধতির সাথে পরিচিত হয়। জন্তু আর কাঠের লাঙলের পরিবর্তে কৃষকদের হাতে আসে কলের লাঙল, ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার। বিজ্ঞানের কল্যাণে উন্নত দেশগুলোতে জমিকর্ষণের পুরোনো পদ্ধতিগুলো লোপ পেয়েছে।

আরো পড়ুন: বর্ষাকাল রচনা

সেচব্যবস্থাতেও বিজ্ঞান অনেক পরিবর্তন এনেছে। কৃষকদের এখন ফসলের জন্যে প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় না। গভীর ও অগভীর নলকূপের সাহায্যে জমিতে পানিসেচের ব্যবস্থা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তুলতে ব্যবহৃত হচ্ছে বিদ্যুৎশক্তি চালিত পাম্প। অতিবৃষ্টিও আজ কৃষককে ভীত করছে না। বিজ্ঞানের বদৌলতে জমির অতিরিক্ত জল নিষ্কাশন আজ অত্যন্ত সহজ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উন্নতমানের বীজ উৎপাদনে বিজ্ঞান কৃষিক্ষেত্রে যে ভূমিকা রেখেছে তাও অভাবনীয়। বিশেষ করে কৃত্রিম উপায়ে উচ্চফলনশীল বীজ উৎপাদনে সাফল্য বিষ্ময়কর। এসব বীজ সাধারণ বীজের তুলনায় ফসল উৎপাদনে তুলনামূলকভাবে সময়ও কম নেয়। সুতরাং বীজ নিয়ে কৃষকদের অতীতের অনিশ্চয়তা দূর করেছে বিজ্ঞান। শক্তিশালী রাসায়নিক সার আবিষ্কৃত হওয়ায় ফসল উৎপাদনে এসেছে অভূতপূর্ব সাফল্য। সাম্প্রতিককালে বিশ্বের বৃষ্টিহীন শুষ্ক মরু অঞ্চলে চাষাবাদ শুরু করার প্রচেষ্টা চলছে বিজ্ঞানের সহায়তায়।

উন্নত বিশ্বের কৃষি: উন্নত দেশগুলোর কৃষিব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিজ্ঞাননির্ভর। জমিতে বীজ বপন থেকে শুরু করে ঘরে ফসল তোলা পর্যন্ত সমস্ত কাজেই রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়া। বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক কৃষিযন্ত্র, যেমন: মোয়ার (শস্য-ছেদকারী যন্ত্র), রপার (ফসল কাটার যন্ত্র), বাইন্ডার (ফসল বাঁধার যন্ত্র), থ্রেশিং মেশিন (মাড়াই যন্ত্র), ম্যানিউর স্প্রেডার (সার বিস্তারণ যন্ত্র) ইত্যাদি উন্নত দেশগুলোর কৃষিক্ষেত্রে এনেছে বৈপ্লবিক সাফল্য। উন্নত দেশগুলোতে কৃষিকাজের এমন অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে যার ফলে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা সত্বেও তারা কৃষিকাজে ব্যাপকভাবে অগ্রগামী।

কৃষি ও বাংলাদেশ: বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের মাটি ও জলবায়ু বিশ্বের অন্য দেশগুলোর তুলনায় কৃষির অনুকূলে। কিন্তু উন্নত দেশগুলো যখন প্রতিকূল অবস্থা ঘুচিয়ে ফসল উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক ব্যবহার শুরু করেছে। সেখানে বাংলাদেশের কৃষকেরা অনেক পিছিয়ে আছে। তারা শ্রম দিচ্ছে কিন্তু উপযুক্ত ফসল পাচ্ছে না। কেননা তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করতে পারছে না। তবে ধীরে ধীরে বাংলার কৃষকেরা কৃষিকাজে বিজ্ঞানের ব্যবহার শুরু করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে জমি চাষের জন্য প্রায় ১ লক্ষ ইঞ্জিন চালিত চাষযন্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে।

উপসংহার: বিজ্ঞান আজ অসম্ভবকে প্রায় সম্ভব করেছে। উন্নত দেশগুলোতে বিজ্ঞানের সাহায্যে পাহাড় কেটে জঙ্গল পরিষ্কার করে বিভিন্নভাবে কৃষিজমি তৈরি করা হচ্ছে। ফসল আবাদের প্রতিটি পদক্ষেপে তারা বিজ্ঞানকে কাজে লাগাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ তারা কৃষিক্ষেত্রে লাভ করছে বিরাট সাফল্য। কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পন্থা অবলম্বনের ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। সুজলা-সুফলা আমাদের এই দেশে বিজ্ঞানের জাদুর ছোঁয়া আমরা যত বেশি কাজে লাগাতে পারব ততই কৃষি আমাদের দেবে সোনালি ফসলসহ নানা ফসলের সম্ভার। কৃষকদের সচেতনতা, সরকারি ও বেসরকারিভাবে তাদের সাহায্য প্রদান এবং বাংলাদেশে কৃষি নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণাই পারে আমাদের স্বপ্ন পূরণ করতে। বাংলাদেশকে একটি সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা দেশ হিসেবে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করতে।

কৃষি কাজে বিজ্ঞান রচনা ২৫ পয়েন্ট

ভূমিকা: আজকের যুগ বিজ্ঞানের যুগ। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এ দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ কৃষিকাজ করে এলেও তখনকার কৃষি ছিল সম্পূর্ণ প্রকৃতি ও শ্রমনির্ভর। বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে কৃষিতে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। আধুনিক যন্ত্রপাতি, বৈজ্ঞানিক সার, কীটনাশক, সেচব্যবস্থা ও উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষিকাজ এখন আগের তুলনায় সহজ, দ্রুত ও অধিক ফলনশীল হয়েছে। তাই কৃষির উন্নয়নে বিজ্ঞানের অবদান অপরিসীম।

আমাদের দেশে কৃষির অবস্থা: আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান, অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। দেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোক কৃষিজীবি। দুঃখের বিষয় হলেও একথা সত্য যে, উন্নত দেশগুলোতে কৃষিকাজে বিজ্ঞানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠলেও আমাদের দেশে এ ব্যাপারে তেমন অগ্রগতি হয়নি। এখনও কৃষির অবস্থা প্রাচীন আমলের। সেই পুরনো পদ্ধতি ব্যবহার করে আমাদের দেশের কৃষকেরা ফসল উৎপাদন করছে। ফলে কৃষি উৎপাদন আশানুরূপ হচ্ছে না। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সাথে তাল রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে আমাদের কৃষিব্যবস্থা।

উন্নত দেশের কৃষিকাজে বিজ্ঞান: উন্নত দেশসমূহে আজ কৃষিকার্য সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল। জমি কর্ষণ, বীজ বপন, সেচকার্য, ফলস কাটা, ফসল মাড়াই এবং বাছাই ইত্যাদি সকল কাজ আজ যন্ত্রের সাহায্য সম্পাদন করা হয়। আজকের যুগে ফসলের জমি সেচের জন্য মানুষ প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে থাকে না। অনাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিশস্য জন্মানোর অন্তরায় হয়না। উন্নত দেশের কৃষকেরা কৃষিকার্যকে যান্ত্রিক করে ফেলেছে। শীতপ্রধান দেশে শীত নিয়ন্ত্রিত ঘর বানিয়ে শাক-সবজি এবং ফলমূল উৎপাদন করছে। বিজ্ঞানের সাহায্য মরুভূমির মতো শুষ্ক জায়গাতে সেচ, সার ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ করে সোনার ফসল ফলাচ্ছে। বিজ্ঞান কৃষিকার্যে এক যুগান্তকারী ইতিহাস সৃষি করেছে।

আমাদের কৃষিকাজে বিজ্ঞান: উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের দেশে কৃষিকাজে বিজ্ঞানের সুফল ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। তবে ইতোমধ্যে বিজ্ঞানের প্রভাব আমাদের কৃষিকাজেও লক্ষ্য করা যায়। সীমিত আকারে হলেও কোন কোন দিক দিয়ে বিজ্ঞানের অবদানে আমাদের কৃষিব্যবস্থার উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা যথেষ্ট নয় এবং এখনো অনেক ক্ষেত্রে অবশিষ্ট রয়েছে। সেচকার্যের জন্য গভীর নলকূপ ও মেশিনচালিত পাম্প ব্যবহৃত হচ্ছে। বিজ্ঞানের সাহায্যে আগে যে জমিতে এক ফসল হতো, এখন সেখানে তিন ফসল ফলানোর চেষ্টা চলছে। দেশে ইতোমধ্যে, কৃষির উন্নতির অগ্রগতি হয়েছে। কাজেই কৃষিক্ষেত্রে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করতে হলে বিজ্ঞানের ব্যাপক ব্যবহার করতে হবে। কৃষকদের আধুনিক কৃষি পদ্ধতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

উপসংহার: দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কৃষির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দেশের অনগ্রসরতা দূর করার জন্য আমাদের দেশে কৃষি ব্যবস্থায় বিজ্ঞানের ব্যাপক ব্যবহার করতে হবে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কৃষির সাথে দেশের ভাগ্য জড়িত, সে কারণে কৃষিকাজে বিজ্ঞানের সর্বোত্তম ব্যবহার করে জাতির সুখকর ভবিষ্যৎ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।

কৃষি কাজে বিজ্ঞান রচনা ৩০ পয়েন্ট

ভূমিকা: বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। সর্বক্ষেত্রে বিজ্ঞাণের কল্যাণ-স্পর্শ জীবনকে করে তুলেছে সহজ ও আনন্দমুখর। বিজ্ঞানের ব্যবহার যত বাড়ছে জীবন তত স্বাচ্ছন্দ্যের মুখ দেখছে। বিজ্ঞানের কর্মসূচি যত বেশি সম্প্রসারিত হচ্ছে জীবনে উন্নতি হচ্ছে তত বেশি। বিজ্ঞানের ব্যবহার শুরু হয়েছে এবং বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় কৃষিতে সূচিত হয়েছে সবুজ বিপ্লব।

বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা ও কৃষি: বিংশ শতাব্দীর এ যুগ-সন্ধিক্ষণে বিশ্ববাসীর কোনো কাজেই বিজ্ঞানের অনুপস্থিতি নেই। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা আজ সর্বত্র অব্যাহত। বিজ্ঞানের বদৌলতে অন্ধকার ধরণী আজ আলোকাভায় ঝলমল করছে। বিজ্ঞানের বদৌলতে আজ ঊষর মরু হয়েছে সরস ও উর্বর, দুর্গম পাহাড়ের খাড়াই-উৎরাই পরিণত হয়েছে দিগন্ত বিস্তৃত সমভূমিতে, নদী পেয়েছে নতুন গতি, শুকনো ক্ষেতে চলছে জল-সিঞ্চন। জগৎ ও জীবনের কর্মপ্রবাহের প্রতিটি স্তরে বিজ্ঞান তার অবদানের স্বাক্ষর বহন করে চলেছে। বিজ্ঞান গবেষণার মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তি ও নতুন নতুন প্রজাতির ফসল উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রেও আজ বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।

কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিসমূহ: কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের সর্বশেষ যুগান্তকারী সাফল্য হলো জীন প্রযুক্তির প্রয়োগ। Genetic Technology-র ব্যবহার করে উচ্চফলনশীল জাত ও বীজ উদ্ভাবন করা হচ্ছে, বিলুপ্ত-প্রায় ফসল ও উদ্ভিদকে টিকেয়ে রাখা হচ্ছে। পূর্বে যে জমিতে এক ফসল জন্মানো হতো সেখানে বিজ্ঞানের সহায়তায় তিন ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের কৃষি ও বিজ্ঞান: বাংলাদেশে জনসংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসংখ্যার গুরুভার সৃষ্টি করেছে প্রকট খাদ্য সমস্যা। আমাদের দেশের প্রচলিত প্রাচীন পদ্ধতির চাষাবাদের কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সমতা বজায় রেখে ফসল উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তবে কৃষিকাজের প্রতিটি পর্যায়ে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটানো যেতে পারে।

কৃষি উন্নয়নে বাংলাদেশ: মানুষের মৌলিক চাহিদার সবটাই যোগন দেয় কৃষি। তাই কৃষিকে অবহেলা করে বেঁচে থাকা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি দেশ ও জাতির সামগ্রিক কল্যাণসাধনও অসম্ভব। তাই কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কৃষিক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে সচেতন। কৃষিব্যবস্থার সামগ্রিক কল্যাণের স্বার্থে এদেশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কৃষিকে মাধ্যমিক স্তর থেকে পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ কৃষিক্ষেত্র কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎসাহিত করার জন্য সবরকম সাহায্য-সহযোগিতা করে আসছে। সরকারিভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে উচ্চফলনশীল বীজ।

কৃষিকাজের গুরুত্ব: মানুষ কৃষিকাজ দিয়েই জীবনের সূত্রপাত করেছিলো এই পৃথিবীতে এবং এখনও কৃষির ওপর নির্ভর করে মানবজীবনের ধারা বয়ে চলেছে। মানুষের প্রয়োজন বিবেচনা করে কৃষিক্ষেত্রে অনবরত গবেষণা চলছে এবং এর পরিণামে উন্নত দেশগুলো তাদের কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করেছে। বেশি করে ফলন বাড়িয়ে উন্নত দেশ একদিকে যেমন নিজেদের অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য আনছে, তেমনি ঘাটতি দেশের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করে মানবজাতিকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করছে।

উপসংহার: বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশের কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষাবাদ করা অতীব জরুরি। কেননা আমাদের উন্নয়ন সম্পূর্ণরূপে কৃষির উপর নির্ভরশীল। আর একমাত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে আমরা পরনির্ভরশীলতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে পারি।