মূলভাব: অসীম ধৈর্য ও সহনশীলতা মানুষের জীবন সংগ্রামে সাফল্যের মূল ভিত্তি। সহ্য করার ক্ষমতা ছাড়া জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ করা যায় না।
সম্প্রসারিত ভাব: ধৈর্যশীলতা ছাড়া সংগ্রামমুখর জীবনে আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানো সম্ভব হয় না। এ পৃথিবীতে যারা প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন তাঁদের সাফল্যের মূলে ছিল ধৈর্য ও সহনশীলতার অনুশীলন। সহনশীলতার গুণেই এ পৃথিবীতে অনেক জ্ঞানী-গুণী প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন। ধৈর্য ও সহনশীলতাই পারে প্রতিকূলতাকে পরাজিত করে স্বীয় অস্তিত্বকে প্রতিষ্ঠা করতে। জীবনে সফলকাম হতে হলে ধৈর্যশীল হবার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সামান্য দুঃখে কাতর হলে আমাদের জীবনে সাফল্যের সূর্য কোনোদিনই উদিত হবে না।
আরো পড়ুন: চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ ভাবসম্প্রসারণ
মন্তব্য: জীবনে গৌরব অর্জনের জন্য আমাদের সর্বক্ষেত্রে ধৈর্য ও সহনশীল হতে হবে।
যে সহে, সে রহে ভাবসম্প্রসারণ Class 6,7
মূলভাব: এ বিশ্ব-সংসারে যারা ধৈর্যশীল তারাই কেবল টিকে থাকতে পারে।
সম্প্রসারিত ভাব: ধৈর্য ও সহনশীলতা মানুষের পরম গুণ। অসহিঞ্চু মানুষকে কেউ পছন্দ করে না। এ ধরনের মানুষ কোন কাজ শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন করতে পারে না। ধৈর্যের সাথে কোন কাজে লেগে থাকলে জীবনে উন্নতি করা যায়। উদাহারণস্বরুপ বলা যায়, ধৈর্যশীল পিপীলিকা অবিরাম পরিশ্রম করে যে খাদ্য সঞ্চয় করে, পুরো শীতকাল ধরে তা বসে বসে খেতে পারে। সুতরাং যারা ধৈর্যের সঙ্গে কাজ করে তারাই জীবনে উন্নতি লাভ করতে পারে। মহামনীষীদের জীবন ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তাঁদের ধৈর্য ও সহিঞ্চুতার গুণে পরিপূর্ণ। যাদের সহ্যগুণ যতো বেশি, তাদের উন্নতিও ততো বেশি। জীবনে তাঁরাই অক্ষয় কীর্তি স্থাপন করতে পারেন।
মন্তব্য: জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভের পূর্বশর্ত সহিঞ্চুতা। সহিঞ্চুতাই মানুষকে সাফল্যের স্বর্ণচূড়ায় পৌঁছে দেয়।
যে সহে, সে রহে ভাবসম্প্রসারণ Class 8,9,10
মূলভাব: সহনশীলতা মানুষের জীবনে উন্নতি ও সফলতা লাভের অন্যতম প্রধান গুণ। যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরে দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারে, সে-ই জীবনে টিকে থাকতে পারে এবং সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে পারে।
আরো পড়ুন: পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি ভাবসম্প্রসারণ
সম্প্রসারিত ভাব: মানবজীবন সংগ্রামের জীবন। এখানে প্রতিপদেই রয়েছে নানা বাধা-বিপত্তি। আর এই বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে হলে প্রয়োজন প্রবল মানসিক শক্তি ও নিরন্তর শ্রম-সাধনা। এ পৃথিবীতে যাঁরা প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন তাঁদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে ধৈর্য সহনশীলতা ও অনুশীলন। ধৈর্য ও সহনশীলতা ছাড়া টিকে থাকা সম্ভব নয়।
মন্তব্য: সহনশীলতা মানুষকে ভিতর থেকে শক্তিশালী করে এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে থাকার সাহস যোগায়। তাই জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে ধৈর্য ও সহনশীলতার কোনো বিকল্প নেই। যথার্থই বলা যায় যে; সে সহে, সে রহে।
